মধু সব রোগের সেফা

মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার অসংখ্য ও অগণিত নিয়ামত উনার মধ্যে মধু একটি বিশেষ নিয়ামত।

কারণ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার বিভিন্ন হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মধু সম্পর্কে অনেক প্রসংশা মুবারক করেছেন। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন “পবিত্র কুরআন শরীফ হল যেকোন দিলের রোগের জন্য আরোগ্যকারী এবং মধু হলো যে কোন দৈহিক রোগের জন্য আরোগ্যকারী”। (ইবনে মাজাহ)আরো অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি শারীরিক নিরাপত্তা চায় তার কিছু কিছু মধু খাওয়া উচিত।”উপরোক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা বুঝা গেল, মধুর মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক হিকমত ও বরকত মুবারক রেখেছেন। তাই আমাদেরকে মধু সংগ্রহ করতে হবে। কারণ মধু হচ্ছে সমস্ত রোগের শেফা। নিচে কয়েকটি গুনাগুণ তুলে ধরা হল:* ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ বর্তমানে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ রোগে আমলকির রস, কাঁচা হলুদ মধু একত্রে মিশিয়ে প্রতিদিন খাবারের পর খেলে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।* ভয়াবহ ব্যধি যক্ষ্মা রোগ, বাসক পাতার রস এক চামচ নিয়ে তাতে মধু মিশ্রিত করে খেলে উপশম হিসেবে কাজ করে।* একটানা মাথা ব্যাথায় মাথার যে পাশে ব্যাথা তার উল্টো দিকের নাকের ছিদ্রে এক ফোটা মধু দিলে সাথে সাথে মাথা ব্যাথা ভালো হয়ে যাবে।* সর্দি হলে দু’চামচ মধুর সাথে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে তিন ঘন্টা পরপর খেলে সর্দি ভালো হয়ে যাবে।* রক্তশূন্যতা আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকেরই দেখা যায়। রক্তশূন্যতায় মধুর সাথে নিম ও ত্রিফলা ভালোভাবে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে রক্ত বৃদ্ধি পায়।* দাঁত পরিষ্কার করে প্রতিদিন খাঁটি মধু লাগালে দাঁত ভালো হয়ে যায়।এছাড়া আরো বহু রোগে মধুকে শেফা হিসেবে ব্যবহার যেতে পারে। তাই আমাদের সকলকেই মধু সংগ্রহ করে নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত খেতে হবে তাহলে আমরা বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাব। ইনশাআল্লাহ! এবং এর সাথে সাথে পবিত্র সুন্নত মুবারকও পালন করা হবে কারণ মধু খাওয়া খাছ সুন্নতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।